Trending

পদার্থের গঠন




পরমাণু:

পরমাণু এর ইংরেজি প্রতিশব্দ এটম (atom)। এটম (atom)শব্দের অর্থ অবিভাজ্য। অর্থাৎ পরমাণুকে আর ভাঙা যায় না।

 পরবর্তীতে বিজ্ঞানীদের আরো আবিষ্কারের ফলে যখন রাদারফোর্ড আবিষ্কার করলেন যে, পরমাণুর একটি কেন্দ্র আছে।পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে।  নিউক্লিয়াসের ভিতরে ধনাত্মক চার্জ বাহি প্রোটন থাকে।

 সুতরাং প্রোটন হচ্ছে ধনাত্মক চার্জ বাহি একটি বস্তু এবং রাসায়নিক বিক্রিয়ার সত্তা।

 পরমাণু হচ্ছে সেই রাসায়নিক সত্তা যেটা ঐ বস্তুর বৈশিষ্ট্য বহন করবে সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়া অংশগ্রহণ করবে।

 কিন্তু প্রকৃতিতে মুক্তভাবে কাজ করতে পারবে না। প্রকৃতিতে মুক্তভাবে বিরাজ করতে হলে তার যেই স্থিতিশীলতা দরকার, তার যে আণবিক গঠন দরকার, সেটা কে বজায় রাখতে হলে সেটাকে  অর্জন করতে হলে তাকে ইলেকট্রন শেয়ার বা আদান-প্রদান করে অনু গঠন করতে হয়।

 এবং এই অনুটাই প্রকৃতিতে মুক্ত ভাবে বিরাজ করে। 

অনু:

অনু হচ্ছে সেই রাসায়নিক সত্তা যেটা সম্পূর্ণরূপে প্রকৃতিতে বিস্তার করতে পারে এবং একটি বস্তুর বৈশিষ্ট্য ধারণ করতে পারে। 

মৌলের প্রতীক :

কোন মৌলের ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষর কে ওই মৌলের প্রতীক বলে।

 এখন পুরো নাম এর সংক্ষিপ্ত রূপ সেটা কোন ভাষা?

 সেটা হতে পারে ইংরেজি ভাষা, সেটা হতে পারে ল্যাটিন ভাষা  আবার সেটা হতে পারে আরবি ভাষা। 

যেমন বোরণ নেওয়া হয়েছে আরবি ভাষা থেকে, সোডিয়াম নেওয়া হয়েছে ল্যাটিন ভাষা থেকে এবং নাইট্রোজেন নেওয়া হয়েছে ইংরেজি ভাষা থেকে। 

পরমাণুর কণিকা:

পরমাণুর  কণিকাগুলোকে আমরা দুই ভাগে ভাগ করতে পারি। যেমন -

১/স্থায়ী মূল কণিকা 

২/অস্থায়ী মূল কণিকা 

 স্থায়ী মূল কণিকা :

পরমাণুর স্থায়ী মূল কণিকা গুলো হল 

ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন 

অস্থায়ী মূল কণিকা :

পরমাণুর অস্থায়ী মূল কণিকা গুলো হল ম্যাসন পজিট্রন, নিউট্রিনো,এন্টিনিউট্রিনো ইত্যাদি। 


প্রোটন সংখ্যা বা পারমানবিক সংখ্যা:

 কোন পরমাণুতে যে কয়টি ইলেকট্রন থাকে পরমাণুর নিউক্লিয়াসে ঠিক সে কয়টি প্রোটন থাকে। একেই পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা বলে। পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা কেই বলা হয় পারমাণবিক সংখ্যা। যেমন ক্লোরিন এর পারমাণবিক সংখ্যা 17। 


ইলেকট্রন সংখ্যা: 

কোন পরমাণু তে অবস্থিত ইলেকট্রন সংখ্যা ঐ পরমাণু তে অবস্থিত প্রোটন সংখ্যার সমান। 

অর্থাৎ ইলেকট্রন সংখ্যা ও প্রোটন সংখ্যা পরস্পর সমান হয়। যেমন ক্লোরিনের ইলেকট্রন সংখ্যা 17। 


ভর সংখ্যা :

কোন পরমাণু তে অবস্থিত মোট প্রোটন সংখ্যা এবং নিউট্রন সংখ্যার সমষ্টি কেই পরমাণুর ভর সংখ্যা বলে। যেমন অক্সিজেনের প্রোটন সংখ্যা 8 এবং নিউট্রন সংখ্যা 8 সুতরাং অক্সিজেনের ভর সংখ্যা হবে 16। 


নিউট্রন সংখ্যা :

 কোনো পরমাণুর ভর সংখ্যা ও প্রোটন সংখ্যার বিয়োগফল কে ঐ পরমাণুর  নিউট্রন সংখ্যা বলে। 

যেমন :

অক্সিজেনের ভর সংখ্যা ১৬

এবং অক্সিজেনের প্রোটন সংখ্যা 8 

সুতরাং অক্সিজেনের নিউট্রন সংখ্যা হবে  ৮।





Post a Comment

Previous Post Next Post

যোগাযোগ ফর্ম