Trending

অম্লত্ব ও ক্ষারকের বৈশিষ্ট্য এবং লবণের ব্যবহার (Characteristics of acidity and alkalis and use of salt)



এসিড:

এসিড হচ্ছে সেই সকল যৌগ জলীয় দ্রবণে বিবেচিত হয়ে প্রোটন দেয় সুতরাং যারা তারা এছাড়াও এসিড এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল এসিড ক্ষার ও লবণ অর্থাৎ এসিড যদি ক্ষারকের সাথে বিক্রিয়া করে তাহলে লবণ এবং পানি উৎপন্ন করে এসিড বিভিন্ন ধরনের বৈশিষ্ট্য রয়েছে এসিড টক স্বাদযুক্ত এসিড নীল লিটমাসকে লাল করে।

এখন লিটমাস জিনিসটা কী?

লিটমাস জিনিসটা হচ্ছে একধরনের পেপার বা কাগজ
 যা নির্দেশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
অর্থাৎ লিটমাস হলো ঐ সকল পদার্থ যারা নিজেদের রং পরিবর্তনের মাধ্যমে কোন যৌগ এসিড নাকি ক্ষার তা নির্দেশ করে। 
সুতরাং  আমরা যদি কোন একটা যৌগের নীল লিটমাস দেই এবং সেটা যদি লাল হয় তাহলে আমাদের বুঝে নিতে হবে ঢ়ে যৌগটি ছিল এসিড। 

এসিড এর প্রকারভেদ:

 আমরা সাধারণত জানি এসিড দুই ধরনের :
১/ শক্তিশালী এসিড বা অজৈব এসিড 
২/জৈব এসিড অর্থাৎ দুর্বল এসিড

নির্দেশক:

 আমরা একটু আগেই জেনেছি যেসকল যৌগ বা পদার্থ নিজেদের রং পরিবর্তনের মাধ্যমে কোন যৌগ এসিড নাকি ক্ষার তার নির্দেশ করে তাই নির্দেশক

নির্দেশক এর প্রকারভেদ :

লিটমাস পেপার ফেনোফথ্যালিন মিথাইল অরেঞ্জ মিথাইল রেড জবা ফুলের রস

এসিডিটি:

আমরা সকলে খাদ্য গ্রহণ করি। সে খাদ্য পাকস্থলীতে পরিপাক হয়।এই পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড নির্গত হয়।এই হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মাত্রা যখন অত্যাধিক হয়ে যায় তখন এর পিএইচ এর মান 1 এর কাছাকাছি চলে আসে এর ফলে এসিডিটির সৃষ্টি হয়। 

অনেক সময় আমরা যখন খালি পেটে টক স্বাদযুক্ত কোন কিছু খাই তখন আমাদের এসিডিটির সমস্যা হয়। আমরা জানি সকল খাদ্যে এসিড থাকে। যখন এই এসিড বেশি পরিমাণে পাকস্থলীতে  জমা হয় তখনই এসিডিটির সমস্যা হয়।

সুতরাং পাকস্থলীতে যখন এই এসিডের পরিমাণ বেড়ে যায় তখন যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তাই এসিডিটি। 


ক্ষার :

ধাতুর অক্সাইড কে ক্ষারক বলে। এবং যে সকল ক্ষারক পানিতে দ্রবীভূত হয় তাদের ক্ষার বলে। 
সকল ক্ষার পানিতে দ্রবীভূত হয় কিন্তু সকল ক্ষারকই পানিতে দ্রবীভূত হয় না। 
অর্থাৎ সকল ক্ষারই ক্ষারক কিন্তু সকল ক্ষারকই ক্ষার নয়। 


ক্ষারের বৈশিষ্ট্য :

১/ ক্ষার  জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সিল  আয়ন দেয়। 
২/ ক্ষার লাল লিটমাসকে নীল করে। 
৩/ ক্ষার এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ পানি উৎপন্ন করে। 

লবণ :

এসিড এবং ক্ষারক পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে যে নিরপেক্ষ যৌগ গঠন করে তাকে লবণ বলে।

লবণের ব্যবহার :

১/ প্রথমত আমরা খাদ্য হিসেবে লবণ ব্যবহার করি । 
২/ সাবান তৈরিতে লবণ ব্যবহার করা হয়। 
৩/ জমির উর্বরতার জন্য লবণ ব্যবহার করা হয়। 
৪/ ইউরিয়া সার উৎপাদনে লবণ ব্যবহার করা হয়।
৫/ শিল্পক্ষেত্রেও লবণ ব্যবহার করা হয়।


Post a Comment

Previous Post Next Post

যোগাযোগ ফর্ম